সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০১৪

পানির অপর নাম জীবন

পানির অপর নাম জীবন


পানি খাওয়া নিয়ে প্রতিদিন হাজারো পরামর্শ। কিন্তু আমরা কি জানি পানি কিভাবে আমাদের উপকারে আসে। আসুন জেনে নেই কিভাবে পানি আমাদের সুস্থ থাকতে সাহায্য করে।

এটা হজমে সাহায্য করে: ওজন কমাতে চাইছেন? তাহলে তো পানি খাওয়া খুব জরুরী। কেননা এটা চর্বি ক্ষয় করতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা যায় পানি আমাদের শরীরের প্রায় ৩০ শতাংশ ফ্যাট বেশি ঝড়াতে সাহায্য করে।

খাওয়া দাওয়া নিয়ন্ত্রণ করতে: একসাথে বসে গাদা গাদা খেয়ে ফেলাটা আপনার অভ্যাস নয় বরং বদভ্যাস। এবার খাওয়ার আগে কিছু পানি খেয়ে নিন। বেশি খাবার একসাথে আর খেতে পারবেন না। আর গবেষণা দেখাচ্ছে যারা পাঁচ গ্লাসের বেশি পানি খায় নিয়মিত তাদের হার্ট ঝরাতে মাত্রা যারা খায় না তাদের চেয়ে ৪১ শতাংশ কম।

মাথাব্যথা কমে: অনেক সময় মাইগ্রেনের সমস্যা অনেক বড় হয়ে দেখা দেয়। তখন এই ব্যথা কমাতে সাহায্য করে পানি । তাই পানি খান বেশি বেশি।

পানি মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়ায়: মস্তিষ্ক সবসময় বেশি বেশি অক্সিজেন চায়। আর বেশি পানি খেলে সেটা নিশ্চিত হয়। প্রতিদিন ৮-১০ গ্লাস জল খেলে মস্তিষ্কের ক্ষমতা ৩০ শতাংশ বেড়ে যায়।


রাখে সচেতন: নিয়মিত পানি খেলে আপনার ক্লান্তি দূর করে আপনাকে রাখবে সতেজ। আপনি কাজে পাবেন উদ্দীপনা। তাই পানি খান বেশি বেশি।

মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়ায় পানি !Increases in brain power!

মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়ায় পানি !


ইউনিভার্সিটি অব ইস্ট লন্ডনের বিজ্ঞানীদের সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে, মাত্র এক গ্লাস পানি পান করলে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা ১৪ শতাংশ বেড়ে যায়। এ গবেষণায় দেখা গেছে, মাত্র ৯০ মিনিট টানা ঘামলে মস্তিষ্ক অনেক বেশি দুর্বল হয়ে পড়ে। তখন ১-২ গ্লাস পানি পান করলেই মস্তিষ্ক স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। বিজ্ঞানীদের মতে, যখন কেউ তৃষ্ণার্ত থাকেন তখন তার মস্তিষ্ক সেটি নিয়েই ভাবতে থাকে। ফলে কাজের ব্যাপারে তিনি অমনোযোগী হয়ে পড়েন। এ প্রসঙ্গে গবেষক ক্যারোলিন অ্যাডমুন্ড বলেন, কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ শুরুর আগে এক গ্লাস পানি পান করুন। তাতে মস্তিষ্ক ভালো কাজ করবে। এছাড়া চা কিংবা কফি পানে সুফল পাওয়া যায় বলেও জানান তিনি।


বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০১৪

বমির ঘরোয়া চিকিৎসা !domestic treatment of Vomiting!

বমির ঘরোয়া চিকিৎসা !


১। অজানা কারণে বমি :: দুটি লবঙ্গ ১০০ মিলি পানিতে দিয়ে সেদ্ধ করুন। পানি ফুটে যখন অর্ধেক জয়ে যাবে তখন ছেঁকে নিয়ে স্বাদ অনুসারে মিছরি মিশিয়ে খেতে দেবেন এবং পাশ ফিরে শুতে বলবেন। সারা দিনে ৪ ঘন্টা পরপর ৪ বার পান করলে বমি বন্ধ হয়ে যাবে। 

২। বমি-বমি ভাব :: দুটি লবঙ্গ গুঁড়ো করে ৩০ মিলি পানিতে মিশয়ে একটু গরম করে খেলে গা পাক দেওয়া সেরে যায়। বমি-বমি ভাব থাকে না। 

৩। গর্ভাবস্থায় বমি :: গর্ভাবস্থায় বমিতে দুটি লবঙ্গ মিছরির সাথে চূর্ণ করে আধ কাপ গরম পানিতে মিশিয়ে খেলে আরাম পাওয়া যায়।

৪। গাড়ি ভ্রমনে বমি :: বাস, ট্রেন ইত্যাদি ভ্রমনে যাদের বমি হয় তারা সাথে সবসময় লবঙ্গ রাখবেন। গাড়িতে উঠেই লবঙ্গ চুষতে থাকবেন। এতে বমি হওয়ার প্রবণতা হ্রাস পাবে।

৫। প্রচন্ড গরমে বমি :: ৩ চা চামচ ধনে গুঁড়ো ২৫০ মিলি পানিতে ১ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখুন, স্বাদের জন্য ১ চামচ মিছরি গুঁড়ো দেওয়া যেতে পারে। ১ ঘন্টা পর ঐ পানি ছেঁকে ১ ঘন্টা পরপর ছোটদের ১ চামচ করে এবং বড়দের ৩০ মিলি করে খাওয়াতে থাকুন। এতে গরমের জন্য বমি হলে প্রশমিত হবে। গরমের জন্য মাথা ঘুরলে, বমি হলে বা বুক ধড়ফড় করলেও এতে উপকার পাওয়া যায়।

৬। বমি হওয়ার মত অবস্থা :: একটা কাগজি লেবুকে দু'টুকরো করুন। এরপর এতে বিট লবন গুঁড়ো এবং গোলমরিচ গুঁড়ো লাগিয়ে রোগীকে ধীরে ধীরে চেটে খেতে দিন। এতে প্রায় সঙ্গে সঙ্গে বহমি হওয়ার মত অবস্থা দূর হবে। 

৭। বমির সাথে বদহজম :: লবঙ্গ ৫টি এবং মিছরি ১০ গ্রাম একসাথে খুব করে পিষে নিয়ে ৩০ মিলি পানিতে মিশিয়ে খেলে বমি ও বমিভাব সহ বদহজম দূর হয়।

৮। রক্ত বমি :: জিরা ৩ গ্রাম ও মিছরি ৬ গ্রাম মিশিয়ে গুঁড়ো তৈরিই করে মুখে দিয়ে পানি খেলে বমিতে রক্ত আসা বন্ধ হয়ে যায়। প্রয়োজনে এই গুঁড়ো দিনে ২-৩ বার দেওয়া যায়।

••রেগে যাওয়ার কুফল••Bad effect of Anger

••রেগে যাওয়ার সাধারণ কারনসমূহ••



মানুষ বিভিন্ন কারনে রেগে যায়, তবে সাধারণ কয়েকটি কারন হলো-

→কেউ আপনাকে ভুল বুঝলে।
→আপনার সাধারণ কথা কেউ বুঝতে না চাইলে।
→আপনার কোন কাজের স্বীকৃতি চুরি হলে।
→কেউ খারাপ ব্যাবহার করলে।
→অন্যায়- অবিচার -জুলুম করলে।
→কর্তৃত্ব হারানোর ভয় থাকলে।
→আপনার কোন প্রস্তাবে প্রত্যাখ্যাত হলে।
→মানসিক বা কোন প্রকার চাপ থাকলে।
→প্রিয়জন দ্বারা কটাক্ষের স্বীকার হলে।


••রেগে যাওয়ার কুফল••
আপনি রেগে গেলে আপনার প্রিয়জনদের সাথে আপনার সম্পর্ক খারাপ হয়ে যেতে পারে।
আপনার বন্ধুবান্ধব আপনাকে এড়িয়ে চলতে শুরু করবে। আপনি সিদ্ধান্ত নিতে ভুল করবেন।
এ সম্পর্কে হযরত আলী (রা) এর খুব সুন্দর একটি কথা আছে।
রাগান্বিত অবস্থায় চারটি কাজ থেকে বিরত থাকোঃ
১. সিদ্ধান্ত গ্রহণ
২. শপথ গ্রহণ
৩. শাস্তি প্রদান
৪. আদেশ প্রদান

১৪০০ বছর আগের এ কথাগুলো এখন বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমানিত।
এছাড়া মহামতি বুদ্ধ বলেছেন, রণক্ষেত্রে সহস্র যোদ্ধার ওপর বিজয়ীর চেয়ে রাগ-ক্রোধ বিজয়ী বা আত্মজয়ী বীরই বীরশ্রেষ্ঠ।
যীশু বলেন, যখন কেউ তোমার সাথে অন্যায় আচরণ করে, তুমি তাদের ক্ষমা করে দাও। সদাপ্রভুও তোমাকে ক্ষমা করবেন।
বেদে আছে, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে অনিয়ন্ত্রিত রাগ-ক্রোধ থেকে দূরে থেকো।
মহানবী (সা) বলেন, ক্রদ্ধ হয়ো না। যে ব্যক্তি ক্রোধকে সংবরণ করতে পারে সে-ই প্রকৃত বীর। (বোখারী)

••রেগে গেলে যা করবেন••

সবই বুঝলাম। তা এডমিন, রাগ উঠলে কি করবো?? হুম, এবার তাই বলছি।

হাদিস অনুসারে বললে, মহানবী (সাঃ) এর কয়েকটি হাদিস বিশ্লেষণে জানা যায়, তিনি রাগ আসলে বসে পড়তে বলেছেন কিংবা শুয়ে থাকতে বলেছেন। আরও বেশি রাগ উঠলে ঠাণ্ডা পানি পান করতে বলেছেন।

এ ছাড়া বিভিন্ন মনোবিজ্ঞানীরা বলে থাকেন, রাগ উঠলে চুপ করে বসে থাকুন। কিংবা ঘরের বাহির থেকে ঘুরে আসুন।

নিজের ভুল গুলো খুজে বের করার চেষ্টা করুন। নিজের ভুল খুজে পেলে অন্যের উপর থেকে রাগ অনেকটাই কমে যায়।


সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৪

পাঁচটি কাজ ঠিকমতো করুন, মেয়েটি আপনাকে পছন্দ করবেই

পাঁচটি কাজ ঠিকমতো করুন, মেয়েটি আপনাকে পছন্দ করবেই

মেয়েটি আপনাকে পছন্দ করে কিনা তা জিজ্ঞেস করাটা বেশ চ্যালেঞ্জিং। কারণ এতে কিছু কৌশল খাটাতে হয়, কিছুটা ভয়ের এবং খুব ঝামেলা হবে যদি আপনি এসব কথা বলতে লজ্জাবোধ করেন। যদি পছন্দের মেয়েটির সঙ্গে কোনোভাবে একটি ডেটিংয়ের ব্যবস্থা করতে পারেন, তাহলে পছন্দের বিষয়টি পরিষ্কার করে নেওয়াটা জরুরি। মনে রাখবেন, এখানে মেয়েটি আপনাকে বিয়ে করবে কিনা তা জানতে চাচ্ছেন না। স্রেফ পছন্দের কথাই জানতে চাওয়া হচ্ছে। আপনাদের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এখানে প্রথম ডেটিংয়ে রাজি করানো থেকে শুরু করে ৫টি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া দেওয়া হলো। এর মাধ্যমে আশা করা যায়, আপনি মেয়েটির ভালোবাসা আদায় করে নিতে পারবেন।
১. তার নাম্বারটি নিন : ফেসবুক আইডি নয়, টুইটার আইডি নয়, তার কোনো কাছের বন্ধুর আইডি নয়, সরাসরি তার মোবাইল নম্বরটি নিন। ডেটিংয়ের আগে অন্তত চার-পাঁচবার তাকে ফোন করুন। তারপর একদিন কোনো রেস্টুরেন্টে বসার প্রস্তাব দিন। সুন্দরভাবে কথা বলে প্রস্তাব উত্থাপন করতে পারলে মেয়েটি না করবে না। যদি ফোন দেওয়ার সাহস পর্যন্ত না পান, তবে এসব পরামর্শ আপনার জন্য নয়।
২. পরিকল্পনা সাজিয়ে ফেলুন : আপনি মেয়েটি সম্পর্কে কী ভাবছেন তা জানতে পছন্দ করে মেয়েরা। কাজেই তার বিষয়ে আপনি সিরিয়াস এবং কোথায় দেখা করা যায় তা নিয়ে কথা বলুন। তার পছন্দের স্থানের কথা জানতে চান। মানুষ বেড়াতে যায় বা খেতে যায় এমন কোথাও নেওয়ার পরিকল্পনা করুন। যদি দ্বিতীয় ডেটিংয়ের ইচ্ছা থাকে, তবে জনমানবহীন স্থানে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করবেন না।
৩. তার কথা শুনুন, তাকে সহজ করুন : এই পরামর্শ ডেটিংয়ে আসার পর প্রযোজ্য। তার কথা শুনুন। অনেক কিছু জানতে চান। তার দিকে সহজভাবে তাকান। হালকা বিষয় নিয়ে কথা বলুন। কঠিন বিষয় নিয়ে আলোচনার প্রয়োজন নেই। আর এ সময় আপনার ছোটবেলার গোপনীয়তা, পরিবারের নাটক, সেক্সুয়াল ইতিহাস এসব বলার তো প্রশ্নই আসে না।
৪. তাকে হাসান : এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আপনার সহজাত সেন্স অব হিউমার থেকে অথবা কোনো হালকা কৌতুকের মাধ্যমে তাকে হাসান। যদি অন্য কিছু ঠিকমতো করতে না পারেন, তবু অন্তত এই কাজটি ঠিকমতো করুন। কারণ মেয়েটি হাসির মাধ্যমে আপনার কাছে সহজ ও স্বাবলীল হয়ে উঠবে। তা ছাড়া আপনাদের এই সাক্ষাৎ মজার হয়ে উঠবে তার কাছে।
৫. সব কিছুর বিল আপনি দিন : ঘুরতে যান বা রেস্টুরেন্টে কিছু খান, নিজের ওয়ালেটটা আগে বের করুন। সব খরচ আপনি করুন। কোনোভাবেই তাকে কোনো খরচ করতে দিবেন না।
আশা করা যায়, এই পাঁচটি পদক্ষেপ ঠিকমতো নিতে পারলে পরের চার-পাঁচদিনের মধ্যে তাকে দ্বিতীয়বারের মতো বাইরে নেওয়ার প্রস্তাব তুলতে পারবেন এবং তার কাছ থেকে হ্যাঁ-সূচক জবাবটিই পাবেন। 

আপনার জন্মতারিখ বলবে আপনি কেমন চরিত্রের মানুষ!

আপনার জন্মতারিখ বলবে আপনি কেমন চরিত্রের মানুষ!


আমরা সকলেই জানি সকল মানুষ একই ধরণের হন না। একেকজন মানুষের ব্যক্তিত্ব এবং সত্ত্বা আলাদা থাকে। যে কারণে সকলে একই রকমের চিন্তা ভাবনা করতে পারেন না বা করেন না। কিন্তু প্রশ্ন হলো কে কোন ধরণের মানুষ হবেন তা কি আগে থেকেই নির্ধারিত হয়ে যায়? মানুষের মধ্যকার আচার আচরণ জিনগত বৈশিষ্ট্য থেকে আসে।
জ্যোতিষীরা বলেন মানুষের আচার আচরণ এবং চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের ওপরে জন্মতারিখ এর এক ধরণের প্রভাব রয়েছে। অনেকেই এই ধরণের কথার ওপর বিশ্বাস রাখেন না। কিন্তু একই জন্মগত তারিখের মানুষদের মাঝে আসলেই চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের বেশ কিছু মিল খুঁজে পাওয়া যায়। বিশ্বাস না হলে চলুন দেখে নেয়া যাক আপনার জন্মের তারিখের সাথে আপনার চারিত্রিক মিল খুঁজে পাওয়া যায় কিনা। আসুন, মিলিয়ে দেখি!
আপনার জন্ম তারিখ যদি ১, ১০, ১৯, ২৮ হয় তাহলে আপনার জন্ম সংখ্যা ১
আপনার জন্ম তারিখ যদি ২, ১১, ২০, ২৯ হয় তাহলে আপনার জন্ম সংখ্যা ২
আপনার জন্ম তারিখ যদি ৩, ১২, ২১, ৩০ হয় তাহলে আপনার জন্ম সংখ্যা ৩
আপনার জন্ম তারিখ যদি ৪, ১৩, ২২, ৩১ হয় তাহলে আপনার জন্ম সংখ্যা ৪
আপনার জন্ম তারিখ যদি ৫, ১৪, ২৩ হয় তাহলে আপনার জন্ম সংখ্যা ৫
আপনার জন্ম তারিখ যদি ৬, ১৫, ২৪ হয় তাহলে আপনার জন্ম সংখ্যা ৬
আপনার জন্ম তারিখ যদি ৭, ১৬, ২৫ হয় তাহলে আপনার জন্ম সংখ্যা ৭
আপনার জন্ম তারিখ যদি ৮, ১৭, ২৬ হয় তাহলে আপনার জন্ম সংখ্যা ৮
আপনার জন্ম তারিখ যদি ৯, ১৮, ২৭ হয় তাহলে আপনার জন্ম সংখ্যা ৯
জন্ম সংখ্যা ১ হলে
আপনি অনেক উচ্চাভিলাষী এবং জেদি ধরণের একজন মানুষ। নিজেকে প্রতিনিয়ত উন্নতির শিখরে নিয়ে যাবার জন্য আপনি অনেক কঠোর পরিশ্রম করে চলেছেন। বর্তমানে যদি বেশি সফলতা নাও পান তবে আপনার হাতে সফলতা নিশ্চিত ভাবেই আসবে। আপনি মোটেও স্বার্থপর নন।কিন্তু মানুষ আপনাকে অনেক গম্ভীর ভেবে আপনার সাথে বেশ কম মেলামেশা করেন এবং আপনাকে স্বার্থপর ভেবে থাকেন। আপনি কাউকে ভালোবাসলে অনেক বেশি ভালোবাসেন। এমনকি সকল ভুল মাফ করে ভালবাসতেও আপনি পারেন। আপনাকে বুঝার মতো কম মানুষই রয়েছে পৃথিবীতে।
জন্ম সংখ্যা ২ হলে
আপনি অত্যন্ত সৎ একজন মানুষ। মাঝে মাঝে আপনি সততার জন্য অনেক বিপদেও পরে থাকেন তারপরও আপনি সৎ থাকাই ভালো মনে করেন। আপনি নিজের দায়িত্বজ্ঞান সম্পর্কে অনেক বেশি সচেতন। মানুষ আপনাকে একজন বিশ্বাসযোগ্য বন্ধু ভাবেন। মানুষ খুব সহজেই আপনাকে বিশ্বাস করে। এবং আপনি সেই বিশ্বাসের মর্যাদা রাখেন।আপনি একই সাথে বেশ মজার একজন মানুষ এবং আপনার চিন্তাধারা আর দশজনের তুলনায় খুবই আধুনিক।
জন্ম সংখ্যা ৩ হলে
আপনি অনেক আত্মকেন্দ্রিক একজন মানুষ।নিজের নতুন নতুন চিন্তা ও তত্ত্ব আপনার কাছে খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ।আপনি নিজের এইসকল চিন্তাভাবনা নিয়ে অনেকটা সময় পার করে দেন। তবে সবচাইতে ভালো কথা হচ্ছে চিন্তা ভাবনা করে আপনি সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন।এক্ষেত্রে আপনাকে অনেক স্মার্ট চিন্তাশীল মানুষ বলা চলে। তবে আপনার সিদ্ধান্তটি অনেক মানুষের কাছে গ্রহন যোগ্য নাও হতে পারে। এমনটা হলেও আপনি আপনার সিদ্ধান্তে অটল থাকেন।
জন্ম সংখ্যা ৪ হলে
আপনি পুরোপুরি দর্শন তত্ত্বে বিশ্বাসী একজন মানুষ। আপনি অনেক বেশি আবেগিও বটে। আপনার চিন্তাভাবনা আপনার বন্ধু বান্ধব এবং অন্য সবার থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। আপনার মধ্যে ইনটুইশন ক্ষমতা আছে।অনেক ধরনের ঘটনা ঘটার আগে থেকেই আঁচ করে ফেলার ক্ষমতা আপনার আছে।মানুষ বেশিরভাগ সময় আপনাকে ভুল বুঝে দূরে চলে যায়।আপনি কোন ধরণের মানুষ তা মানুষজন একেবারেই বুঝতে পারে না।এমনকি পরিবারের অতি আপনজনও আপনাকে আপনার প্রাপ্য সম্মান দিতে পারেন না।
জন্ম সংখ্যা ৫ হলে
আপনি বেশ ‘ডমিনেটিং’ স্বভাবের একজন মানুষ।আপনি আত্মনির্ভরশীলটা এবং স্বাধীনতা অনেক বেশি পছন্দ করেন। আপনি নেতৃত্ব দিতে পছন্দ করেন।অনেক ক্ষেত্রেই আপনি ভাবেন ‘সব কিছু আমার মতো করে হতে হবে’। আপনি নিজে অনেক বেশি স্বাবলম্বী। আপনি আপনার নিজের ও পছন্দের মানুষের জন্য অনেক বেশি কষ্ট করতে পারেন।তবে যদি তারা আপনার কথা মতো চলেন।
জন্ম সংখ্যা ৬ হলে
আপনি অনেক বেশি হাসিখুশি এবং সেনসিটিভ স্বভাবের।মানুষ আপনাকে অনেক বেশি পছন্দ করে থাকেন। আপনি প্রায় সকলের কাছেই বেশ জনপ্রিয় একজন ব্যক্তি।আপনার আন্তরিকতা ও ভালোবাসামাখা আচার আচরণের কারনে সবাই আপনার সঙ্গ পছন্দ করে।তবে একই সাথে আপনার সেনসিটিভ স্বভাবের কারণে মানুষজন কিছুটা দূরে দূরে থাকেন। আপনি নিজেকে প্রতিনিয়ত আরও বেশি চিন্তা ভাবনায় উন্নত করতে চান।আপনি ভালোবাসা দিয়ে সব কিছু জয় করতে চান। আপনি মানুষকে অনেক বেশিই ভালোবাসেন।
জন্ম সংখ্যা ৭ হলে
আপনি একজন হাসিখুশি ও উদ্বেগহীন মানুষ। আপনি একই সাথে সমঝোতায় বিশ্বাসী একজন মানুষ।আপনি একজনের ভালো করলে সেও আপনার ভালো করবে এই ধরণের চিন্তা করেন আপনি। আপনি খুব ভালো একজন শ্রোতা। আপনি আপনার সকল আপনজনের কাছে জনপ্রিয় এই কারণে যে আপনি সকলের হাসিমুখ দেখতে পছন্দ করেন।অনেক বেশি সমস্যা ও দুশ্চিন্তাও আপনি ঝেড়ে ফেলে তা সমাধানের চেষ্টা করতে পারেন।আপনাকে কোন ধরনের চিন্তা ও উদ্বেগ স্পর্শ করতে পারে না।সব কিছু ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা করার অসাধারণ ক্ষমতা রয়েছে আপনার।
জন্ম সংখ্যা ৮ হলে
আপনি অনেক চার্মিং ও এনার্জেটিক ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন একজন মানুষ।আপনি খুব ঘুরে বেড়ানো পছন্দ করেন।‘জীবন একটিই, যতোটা মজা করে নেয়া সম্ভব করে নেয়া উচিৎ’ এই ধরণের চিন্তা করেন আপনি। আপনার মধ্যে কোনো মেকি ভাব নেই। আপনি যেমন ঠিক তেমনই সবার সামনে নিজেকে উপস্থাপন করেন এবং করতে পছন্দ করেন।মানুষজন বেশীরভাগ সময় আপনার সোজাসাপ্টা কথা বলার ধরন অপছন্দ করে থাকে।কিন্তু আপনি নিজের চিন্তাটাকে বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকেন।
জন্ম সংখ্যা ৯ হলে
আপনি খুব ভাগ্যে বিশ্বাসী একজন মানুষ। আপনি জীবনকে সৃষ্টিকর্তার উপহার হিসেবে দেখেন। কারন আপনি অনেক আশাবাদী একজন মানুষ। আপনি জীবনে যা চেয়েছেন তার বেশিরভাগি পেয়েছেন এবং পাবেন বলে আশা করেন। যে কারণে আপনি নিজের ভাগ্যের ওপর ভরসা করে চলতেই বেশি পছন্দ করেন। এবং আপনি আপনার পাওয়া নিয়ে গর্ববোধ করেন সবসময়। আপনি আপনার আপনজন জন্য অনেক কিছুই করে থাকেন।আপনার পথ অনেকেই অনুসরণ করেন।

লেবুর রসে ১১টি যাদু

লেবুর রসে ১১টি যাদু

এই গরমে এক গ্লাস ঠাণ্ডা লেবুর শরবতের কথা মনে হলেই মনটা জুড়িয়ে যায়। আর গলধঃকরণ করতে পারলে তো কথাই নেই। সেইসঙ্গে এই আর্শীবাদপুষ্ট ফলটি রূপচর্চার কাজেও সবার চেয়ে এগিয়ে। এখানে বিশেষজ্ঞ জানাচ্ছেন লেবুর ১১টি দারুণ ব্যবহার।
১. হেয়ার লাইটেনার
লেবুর রস চুলের দারুণ লাইটেনার হিসেবে করে। কোনো কিছু দেওয়ার প্রয়োজন নেই। লেবুর রস চুলে দিয়ে নিন। এতে সূর্যের তাপ মাথাকে গরম করতে পারবে না।
২. নখের সৌন্দর্য বর্ধক
জেল ম্যানিকিউর নখকে দুর্বল করে দেয়। এতে নখ ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। লেবুর রস থাকতে ভয় নেই। অলিভ অয়েলের সঙ্গে মিশিয়ে তাকে নখ ভিজিয়ে রাখুন। এতে ক্ষয়প্রাপ্ত নখ সুন্দর ও সুস্থ্য হয়ে উঠবে।
৩. ঠোঁটের যত্নে
শীতের শুষ্ক ঠোঁটে যেমন চামড়া ওঠে, আপনার ঠোঁট তেমন হয়ে থাকলে লেবুই ভরসা। রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে লেবুর রস ঠোঁটে দিয়ে ঘুমিয়ে যান। এতে আপনার অধর হবে স্ফীত, কোমল ও মসৃণ।
৪. চুলের তেল চিটচিটে ভাব দূর করতে
চুলে তেল দিতে হয়। কিন্তু শ্যাম্পু করার পরও তাতে তেল চিটচিটে ভাব থাকতে পারে। এ ক্ষেত্রে লেবুর রস বিস্ময়কার কাজ দেয়। লেবুর রসে অ্যাসট্রিনজেন্ট রয়েছে যা তেলতেলে অংম শুষে নেয়। চুল হয় ঝরঝরে।
৫. ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধি
লেবুতে ভিটামিন সি এবং সাইট্রিক এসিড রয়েছে। এই রস শুধু ত্বকের তেলতেলে ভাবই দূর করে না, সেইসঙ্গে ত্বককে উজ্জ্বল করে দেয়। তবে এই ঔজ্জ্বল্য ধরে রাখতে এসপিএফ ক্রিম ব্যবহার করতে হবে।
৬. বলিরেখা হালকা করে দেয়
বয়সের ছাপ পড়ে বলিরেখার মাধ্যমে। তা ছাড়া অনেকের এমনিতেই বলিরেখা পড়তে পারে। এসব বলিরেখা দূর করতে মানুষ কতো পয়সা খরচ করে দামি দামি ক্রিম ব্যবহার করেন। কিছুটা কাজ হলেও নানা রকম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অথচ লেবুর রস এই বলিরেখা দূর করতে দারুণ কার্যকর। রেখাগুলোতে লেবুর রস দিয়ে ১৫ মিনিট রাখুন এবং ধুয়ে ফেলুন।
৭. দাঁত পরিষ্কার করে
দাঁতের যত্নে ভালো পেস্টের চেয়েও ভালো কাজ করে লেবুর রস। অল্প পরিমাণ বেকিং সোডার সঙ্গে কিছু লেবুর রস মিশিয়ে পেস্টের মতো বানান। তারপর দাঁত মেজে দেখুন কী ফল দাঁড়ায়।
৮. কনুই এবং হাঁটুকে মসৃণ করে
মানুষের কনুই এবং হাঁটুর অংশটি খসকসে হয়। এই অংশ দুটিকে মসৃণ এবং সুন্দর করে দেয় লেবুর রস। এক টেবিল চামচ লবণ, সামান্য অলিভ ওয়েল এবং কিছু লেবুর রস মিশিয়ে লাগান। দেখুন যাদুর মতো কাজ করবে।
৯. খসখসে ত্বককে মসৃণ করে
যাদের ত্বকে ময়েশ্চারাইজারের অভাব রয়েছে তারা কয়েক ফোঁটা ডাবের পানিতে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে ত্বকে ঘষুন। দেখবেন, ত্বক সুন্দর কোমল হয়েছে। আবার লেবুর রসে তা উজ্জ্বল হয়ে উঠবে।
১০. দুর্গন্ধ দূর করে
ডিওডরেন্ট ব্যবহার না করলেও চলবে। লেবুর রসের সাইট্রিক এসিড থাকে যা বাজে গন্ধ হটিয়ে দেয়। তাই দুর্গন্ধের স্থানে লেবুর রস মেখে নিন। দুর্গন্ধ চলে যাবে।
১১. ব্ল্যাক হেড ট্রিটমেন্ট
নাকের ওপর বা ত্বকে ব্ল্যাক হেড সৌন্দর্যহানি ঘটায়। লেবুর রস এসব ব্ল্যাক হেডের গোড়া নরম করে তাদের তুলে আনে। লেবুর রসের সঙ্গে আর কিছু মেশানোর প্রয়োজন নেই। বেশ ভালো করে ত্বকে রস দিয়ে ঘষুন। সূত্র : ইন্টারনেট